মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম ফিউচার মার্কেটে কমেছে। সপ্তাহজুড়ে দরপতনে ছিল ভোজ্যতেলটির বাজার। টানা ছুটির আগে ব্যবসায়ীদের মুনাফা তুলে নেয়ায় দরপতনে ভূমিকা রেখেছে। একই সঙ্গে রিঙ্গিতের শক্তিশালী বিনিময় হার ও পাম অয়েলের দুর্বল চাহিদাও ভোজ্যতেলের বাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে শুক্রবার পাম অয়েলের দাম কমেছে ৯ রিঙ্গিত বা দশমিক ২ শতাংশ। এদিন প্রতি টন পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৪৪৫ রিঙ্গিতে (১ হাজার ৫৮ দশমিক ৩৩ ডলার)। সপ্তাহজুড়ে পণ্যটির দাম কমেছে দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।
মুম্বাইভিত্তিক সানভিন গ্রুপের কমোডিটি রিসার্চ প্রধান অনিলকুমার বাগানি বলেন, ‘রিঙ্গিতের শক্তিশালী বিনিময় হার ও নতুন করে বড় কোনো ক্রেতা, বিশেষ করে ভারতের চাহিদা না থাকায় বাজারে চাপ বেড়ে ভোজ্যতেলটির দাম কমেছে।’
ইন্দোনেশিয়ায় বায়োডিজেলে পাম অয়েলের বাধ্যতামূলক মিশ্রণের মাত্রা বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ (বি৪৫) করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী বালহিল লাহাদালিয়া। এরপর ধাপে ধাপে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
এছাড়া ইন্দোনেশিয়া শুক্রবার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আগ্রিনাস পালমা নুসান্তারাকে আরো ৬ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টর পাম চাষের জমি হস্তান্তর করেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির অধীনে মোট জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ হেক্টরে। এতে উৎপাদন বেড়ে দাম কমতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুয়ালালামপুরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, চীনের ডালিয়ান এক্সচেঞ্জে পাম অয়েলের দাম কমা, মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) তথ্য, রফতানি শ্লথ হওয়া ও টানা ছুটির আগে সাম্প্রতিক ব্যবসায়ীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় ভোজ্যতেলের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর সরকারি ছুটিতে লেনদেন বন্ধ থাকবে।